ভারতে দুর্গা পূজা ও দীপাবলি উৎসব ঘিরে বেড়েছিল মিষ্টিজাতীয় ও তেলে ভাজা খাবারের চাহিদা। অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে দেশটিতে গত মাসে পাম অয়েলের আমদানি বেড়েছে সেপ্টেম্বরের তুলনায় ৬০ শতাংশ। এ সময় ভারতে পণ্যটির মোট আমদানি পৌঁছেছে ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮২ টনে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (এসইএ)। খবর রয়টার্স।
এসইএ জানায়, বেশ কিছুদিন কম আমদানির কারণে ভারতে পাম অয়েলের মজুদ কমে গিয়েছিল। এটিও দেশটির আমদানি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভোজ্যতেল আমদানিকারক দেশটিতে পাম অয়েল আমদানি বাড়ায় ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোয় মজুদ কমে যেতে পারে। এতে বিশ্ববাজারে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে বাড়তে পারে পাম অয়েলের দাম।
এসইএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরে ভারতের সয়াবিন তেল আমদানি কমেছে ১১ শতাংশ। এ সময় পণ্যটির মোট আমদানি নেমেছে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৮১৮ টনে। তবে এ সময় দেশটিতে সূর্যমুখী তেল আমদানি বেড়েছে। ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে মোট আমদানি পৌঁছেছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ১১৬ টনে।
এসইএ জানায়, গত মাসে পাম অয়েল আমদানি বাড়লেও ২০২৩-২৪ বিপণন বর্ষের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে মোট ভোজ্যতেল আমদানি কমে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৬০ হাজার টনে নেমেছে, আগের বিপণন বর্ষের একই সময়ে যা ছিল ১ কোটি ৬৪ লাখ ৭০ হাজার টন।
সংস্থাটি জানায়, ভারতে অভ্যন্তরীণ তেলবীজ উৎপাদন বৃদ্ধি ও ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে চাহিদা কিছুটা কমে গিয়েছছিল, যার প্রভাব পড়েছে আমদানিতে।